
কেন আমরা পুরানো বাথরুম হিটারগুলোর পরিবর্তে IP44 রেটেড ইনফ্রারেড হিটার ব্যবহার করছি? আপনি কি সেই পুরানো ধরনের বাথরুম হিটারগুলো চেনেন? যেগুলোতে উজ্জ্বল বাল্ব থাকে, এবং সেগুলো ঘরটিকে উষ্ণ রাখার চেষ্টা করে। এগুলো ঠিকই কাজ করে, কিন্তু জলের ক্ষেত্রে এগুলোর বড় সমস্যা রয়েছে। আর্দ্র বাথরুমে এগুলো কাজ করতে পারে না। এই কারণেই আমরা IP44 রেটেড ইনফ্রারেড হিটারগুলো ব্যবহার করছি। আর্দ্র ঘরের জন্য এগুলোই সবচেয়ে উপযুক্ত। “IP44” কী? আমি জানি, টেকনিক্যাল কোডগুলো বোরিং মনে হয়। কিন্তু এর গুরুত্ব হলো: IP44 মানে হলো এই যন্ত্রটি যেকোনো দিক থেকে আসা জলের ঝাপটা সহ্য করতে পারে। আপনার বাথরুমের কথা ভাবুন। শাওয়ারের বাষ্প এবং অন্যান্য কারণে জল সর্বত্র ছড়িয়ে যায়। সাধারণ হিটারগুলোতে এই আর্দ্রতা ওয়্যারিংয়ে প্রবেশ করে, ফলে শর্ট সার্কিট হয়, এবং কয়েক মাসের মধ্যেই হিটারটি নষ্ট হয়ে যায়। আমরা সিলড গ্যাস্কেট ও আর্দ্রতা-প্রতিরোধী কেস ব্যবহার করি, যাতে বিদ্যুৎ ও জল আলাদা থাকে। এটা একটি সাধারণ সমাধান, যা হিটারটিকে নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে। ইনফ্রারেড হিটার কেন ভিন্ন? বেশিরভাগ হিটারই বাতাসকে উষ্ণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু বাতাস তাপ ধরে রাখতে পারে না। আপনি নিজেই অনুভব করেছেন—এক ইঞ্চি এগিয়ে গেলেই আবার ঠান্ডা লাগে। ইনফ্রারেড হিটার ভিন্ন। এটি বাতাসের দিকে মনোযোগ না দিয়ে সরাসরি আপনার ত্বক ও চারপাশের অঞ্চলগুলোকে উষ্ণ করে।**এটা তাৎক্ষণিক।**আপনি এর নিচে দাঁড়ালেই তৎক্ষণাৎ উষ্ণতা অনুভব করবেন। ঘরটি উষ্ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করার দরকার নেই। কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার… এটা সব বাড়ির জন্য “প্লাগ অ্যান্ড প্লে” ধরনের সমাধান নয়। উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ইনফ্রারেড হিটারগুলো অনেক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। যদি আপনার বাড়িতে পুরানো ওয়্যারিং থাকে, তাহলে এগুলো ব্যবহার করা ঠিক হবে না। আপনার আগে ব্রেকারগুলো পরীক্ষা করা উচিত, যাতে প্রতিবার উষ্ণ বাতাস চাওয়ার সময় বিদ্যুৎ বন্ধ না হয়। আসলে, সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এই হিটারগুলোর জন্য আলাদা সার্কিট ব্যবহার করা। এতে হিটার চালু হলেও আপনার লাইটগুলো নষ্ট হবে না। আরেকটি টিপ: হিটারটি কোথায় রাখা হবে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি এটিকে খুব উঁচুতে রাখা হয়, তাহলে উষ্ণতা আপনার কাছে পৌঁছাবে না। আবার, খুব নিচে রাখলে আপনি যেন গ্রিলের নিচে দাঁড়িয়ে থাকেন। সঠিক জায়গা খুঁজে বের করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।